টাঙ্গাইলশুক্রবার , ২২শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. গণমাধ্যম
  6. জবস
  7. জাতীয়
  8. টপ নিউজ
  9. টাঙ্গাইলে করোনা মহামারি
  10. তথ্যপ্রযুক্তি

বেশির ভাগ ক্রেতাই নারী, তাই নাম দেওয়া হয়েছে ‘বউবাজার’

অনলাইন ডেস্ক
আপডেট : অক্টোবর ৮, ২০২১
Link Copied!

বাজার বলতেই আমরা সাধারণত বুঝি সেখানে পুরুষ আর পুরুষ। ক্রেতা-বিক্রেতা সবাই পুরুষ। কিন্তু দিনাজপুরের এই বাজারে বিক্রেতা পুরুষ হলেও ক্রেতাদের প্রাই সবাই নারী। আর নারীরা এই বাজারের মূল ক্রেতা হওয়ায় বাজারটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘বউবাজার’। দিনাজপুর শহরের চারুবাবুর মোড় থেকে মালদহপট্টি সড়কে বসে এ বাজারটি। শহরের বিভিন্ন এলাকার স্বল্প আয়ের মানুষরাই এখানকার মূল ক্রেতা। ঈদ, পূজা এবং পহেলা বৈশাখের সময়গুলোতেই বেশি জমজমাট থাকে এই বউবাজার। সপ্তাহের প্রতি শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে এই বাজার।

শুক্রবার (৮ অক্টোবর) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় দেড় শতাধিক বিক্রেতা মাটিতে ত্রিপল বিছিয়ে তার ওপর পণ্য সাজিয়েছেন। রাস্তার পাশে মাটিতে পলিথিন ও ত্রিপল বিছিয়ে তার ওপর সাজানো হয়েছে শাড়ি, থ্রি-পিস, প্লাজো, ওয়ান পিস, ওড়না, চাদর, চুড়ি-ফিতা-দুল, জুতা এমনকি ছোটদের খেলনাও।

বিক্রেতারা বলছেন, বউবাজারে বিভিন্ন কাপড়ের সেলাই করা থ্রি-পিস বিক্রি হয় ২৫০ থেকে ৭০০ টাকায়। এ ছাড়া জর্জেট, সুতি, বাটিক, শিফনের ওড়না ৭০-১৭০ টাকায়, বিভিন্ন রকমের শাড়ি ৩৫০ থেকে দেড় হাজার টাকায় বিক্রি হয়।

সদর উপজেলা থেকে কাপড় কিনতে আসা মিশু আক্তার বলেন, আমার জন্য শাড়ি, থ্রি-পিস,ওড়না নিয়েছি। আর ছেলে জন্য শার্ট, প্যান্ট নিয়েছি। এখানে কম দামে পাওয়া যায় বলে প্রায়ই এখানে এসে কেনাকাটা করি।

বিরল উপজেলার মিষ্টি রাণী বলেন, সামনে পুঁজা! পরিবারের সবার জন্য এখানে কেনাকাটা করতে এসেছি। আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এ বাজার বেশ ভালো। পুঁজোয় তো সবার জন্য কেনাকাটা করতে হয়। সবাইকে নতুন কাপড় দিতে হয়। এখানে যে কাপড়গুলো ৫ হাজার টাকায় কিনেছি, শহরের দোকানে একই কাপড় ১০ হাজার টাকা দিয়েও পেতাম না।

কাপড় ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান বলেন, আমি তো বড় দোকানে কাজ করি। সেখানে মাস শেষে একটা টাকা পাই মাত্র। আর এখানে প্রায় প্রতি শুক্রবারে আমি ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার কাপড় বিক্রি করি।

কাপড় ব্যবসায়ী আঞ্জু বেগম বলেন, আমি তিন বছর ধরে এখানে ব্যবসা করি। মোটামুটি ভালো বেচাবিক্রি করি। এখানে সব মহিলারা কেনাকাটা করে। মাঝে মাঝে দু-একজন পুরুষ মানুষও কেনাকাটা করে।

বউবাজারের কাপড় ব্যবসায়ীরা মিলে গড়ে তুলেছেন দোকান কর্মচারী ইউনিয়ন। এ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক দিনেশ মেহেতা বলেন, কিছু দোকানের কর্মচারী মিলে আমরা এই বাজার গড়ে তুলেছিলাম। দিন দিন বউবাজারে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুধু নিম্ন মধ্যবিত্ত বা মধ্যবিত্তরাই নয়, অনেক বিত্তবান লোকেরাও এখানে কেনা-কাটা করতে আসে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।