টাঙ্গাইলরবিবার , ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. গণমাধ্যম
  6. জবস
  7. জাতীয়
  8. টপ নিউজ
  9. টাঙ্গাইলে করোনা মহামারি
  10. তথ্যপ্রযুক্তি

গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর দলনেতাদের চাকরি জাতীয়করণে রুল

অনলাইন ডেস্ক
আপডেট : সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
Link Copied!

বাংলাদেশ গ্রাম প্রতিরক্ষা দলের ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড দলনেতা এবং দলনেত্রীদের চাকরি রাজস্ব খাতে নিয়ে জাতীয় বেতন স্কেলের অন্তর্ভুক্ত করতে নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ২৬ জন দলনেতা ও দলনেত্রীর দায়ের করা রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। একইসঙ্গে গ্রাম প্রতিরক্ষা দল আইন ১৯৯৫ এর ধারা ১০ এবং ১১ অনুযায়ী ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড দলনেতা দলনেত্রীদেব চাকরি বিধিমালা ও প্রবিধানমালা প্রণয়নের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ইউনিয়ন দলনেতা মো. শেখ ফরিদসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ২৬ জন দলনেতা ও দলনেত্রীর পক্ষে দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত এ আদেশ দিয়েছেন।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, প্রতিরক্ষা সচিব, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি মহাপরিচালকসহ ৮ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাউছার ও অ্যাডভোকেট সুদীপ্ত অর্জুন। ২০২১ সালের জুন মাসের ৬ তারিখে রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়েছিল।

আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব বলেন, ইউনিয়ন দলনেতা দলনেত্রীরা দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে জনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ করেন, আইন শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তামূলক কাজে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সহায়তা দেন এবং বিভিন্ন নির্বাচনকালীন ডিউটি করাসহ রাষ্ট্রীয় কাজে সহযোগী ভূমিকা পালন করেন। সারাদেশে প্রায় ২৫০০০ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড দলনেতা-দলনেত্রী রয়েছেন। তারা প্রতি মাসে ২৫০০ ভাতা প্রাপ্ত হন। যা অত্যন্ত অমানবিক ও মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। সংবিধানের ৩৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সকল প্রকার জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ। ১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের প্রত্যেক নাগরিক তার কাজ কাজের গুণ ও পরিমাণ বিবেচনায় যুক্তিসঙ্গত পারিশ্রমিক পাওয়ার অধিকারী। সরকার ঘোষিত জাতীয় বেতন স্কেলের আওতাভুক্ত করা হলে তাদের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে।

এছাড়া ১৯৯৫ সালের আইনে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে তাদের চাকরি সংক্রান্ত বিধিমালা এবং প্রবিধানমালা তৈরি করতে হবে। কিন্তু দীর্ঘ ২৫ বছরেও কোনো ধরনের চাকরি বিধিমালা এবং প্রবিধানমালা তৈরি না করায় ইউনিয়ন দলনেতা-দলনেত্রীরা কর্তৃপক্ষের অযাচিত হস্তক্ষেপের শিকার হন, যার অবসান হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।