টাঙ্গাইলশুক্রবার , ২২শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. গণমাধ্যম
  6. জবস
  7. জাতীয়
  8. টপ নিউজ
  9. টাঙ্গাইলে করোনা মহামারি
  10. তথ্যপ্রযুক্তি

অবশেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার দুই এসআই বদলি

অনলাইন ডেস্ক
আপডেট : সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
Link Copied!

অবশেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের দুই উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিকুল ইসলাম ও জাহাঙ্গীর আলমকে বদলি করা হয়েছে। গত বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের এক আদেশে রফিকুল ইসলামকে নাসিরনগর ও জাহাঙ্গীরকে নবীনগর থানায় বদলি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবের মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন জানান, তাদের এখানে (সদর মডেল থানা) অনেকেদিন হয়ে গেছে। সেজন্য বদলি করা হয়েছে।

সম্প্রতি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসআই রফিক ও জাহাঙ্গীরের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়টি পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমানের কাছে তুলে ধরেন সাংবাদিকরা। তখন পুলিশ সুপার জানান, কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে- সেটি তদন্ত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক তাণ্ডব চালায় হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকরা। তারা সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ সব ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে এসআই রফিক ও জাহাঙ্গীর অনেকের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের কলামুড়ি গ্রামের তাজুল ইসলামের দুই ছেলে মনির হোসেন ও সাদ্দাম হোসেন স্থানীয় নন্দনপুর বাজারে মুদি ব্যবসা করেন। গত ২৭ মার্চ হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নন্দনপুর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ছয়জন মারা যান। সংঘর্ষের সময় ভিডিও ফুটেজে সাদ্দামকে দেখা গেছে জানিয়ে তাকে মামলা থেকে রক্ষা করার কথা বলে টাকা দাবি করেন এলাকায় পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত আবুল হোসেন।

বুধল ইউনিয়ন বিট পুলিশের ইনচার্জ এসআই রফিক ও সুহিলপুর ইউনিয়ন বিট পুলিশের ইনচার্জ এসআই জাহাঙ্গীরকে টাকা দিতে হবে বলে জানান সোর্স আবুল হোসেন। তখন মামলায় ফেঁসে যাওয়ার ভয়ে আবুল হোসেনকে ৪৫ হাজার টাকা দেন সাদ্দামের বড় ভাই মনির।

এ ঘটনা জানাজানি হলে তোলপাড় শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেন সোর্স আবুল হোসেন। তবে সোর্সের এই টাকা লেনদেন কাণ্ডে ফেঁসে যাওয়ার ভয়ে আবুল হোসেনকে গ্রেফতার করেন এসআই রফিক। পরে তাকে হেফাজতের তাণ্ডবের সময় গ্যাস ফিল্ড কার্যালয়ে হামলা মামলায় চালান দেওয়া হয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।