টাঙ্গাইলবুধবার , ২৭শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. গণমাধ্যম
  6. জবস
  7. জাতীয়
  8. টপ নিউজ
  9. টাঙ্গাইলে করোনা মহামারি
  10. তথ্যপ্রযুক্তি

রাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক
আপডেট : সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
Link Copied!

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ইমরুল কায়েস নামের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। দীর্ঘদিন যাবত তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন বলে জানিয়েছেন তার সহপাঠীরা।

ইমরুল কায়েস গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা হলে থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গঙ্গানন্দপুর গ্রামে। তার বাবা ও মা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তিন ভাই বোনের মধ্যে সে বড়।

ইমরুলের সহপাঠীরা জানান, তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। তিনি পরিবার ও নিজের জীবন নিয়ে ‘সন্তুষ্ট’ ছিলেন না। তার অস্বাভাবিক চলাচল ও আচরণের জন্য পরিবার থেকে এর আগে তাকে রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারেও রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে ফিরে মায়ের কাছে মোটরসাইকেল কিনে দিতে বলেন। মোটরসাইকেল কিনেও দেওয়া হয়েছিল তাকে। এরপর মায়ের কাছে ডিএসএলআর ক্যামেরা চান। ক্যামেরা কিনে না দেওয়ায় বৃহস্পতিবার রাত ৩ টার দিকে যশোরের গ্রামের বাড়িতে রুমের দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেয় ইমরুল। পরে রুমের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শের-ই বাংলা হলের ইমরুলের সঙ্গে একই রুমে থাকতেন সুকান্ত রায়। তিনি জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে ইমরুল ডিপ্রেশনে ছিল। হয়তো এই ডিপ্রেশন থেকেই হয়তো সে আত্মহত্যা করেছে।’

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মুসতাক আহমেদ বলেন, ইমরুলের মৃত্যুতে বিভাগের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করেছি। তার পরিবারের প্রতি আমরা সমবেদনা জানাই।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দীর্ঘদিন ধরেই ইমরুল হতাশার পোস্ট করে আসছিলেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর তিনি ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘বিদায়, হাসিমাখা মুখ নিয়ে আর বুকে কষ্ট নিয়ে? আমি কখনো হারিনি হেরে গেছে ব্যর্থতা, ব্যর্থতা আত্মহত্যার মূল।’

একইদিন তিনি মাগুরায় মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরাঘুরির কয়েকটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশন দেন ‘প্রথম ও শেষ ভ্রমণ’। এরপরে তার ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে ক্যাপশন দেন ‘শেষ মুহূর্ত (লাস্ট মোমেন্ট)’।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।