টাঙ্গাইলশুক্রবার , ২২শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. গণমাধ্যম
  6. জবস
  7. জাতীয়
  8. টপ নিউজ
  9. টাঙ্গাইলে করোনা মহামারি
  10. তথ্যপ্রযুক্তি

আজ খুলছে না মানিকগঞ্জের চরাঞ্চলের ২৫টি স্কুল

অনলাইন ডেস্ক
আপডেট : সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
Link Copied!

গত দেড় বছর ধরে করোনাকালীন সময়ে মানিকগঞ্জের ৬শ ৫২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। আজ থেকে সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত থাকলেও এ জেলার যমুনা ও পদ্মার দুর্গম চরাঞ্চলের অন্তত ২৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার নদী তীরবর্তী এলাকা রয়েছে ৫০ কিলোমিটার। চলতি বছরে বর্ষা মৌসুমে কয়েক দফা পদ্মা ও যমুনার ভাঙনে বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া চলতি বন্যায় জেলার শিবালয়, দৌলতপুর ও হরিরামপুর উপজেলার চরাঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পানি প্রবেশ করে। গত সপ্তাহ থেকে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় পানি কমতে শুরু করে। তবে চরাঞ্চলের অন্তত ২৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বন্যার পানি নামলেও প্রাঙ্গণ এলাকায় কাদা রয়েছে।

৩৩ নং চরকাটারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুস সাত্তার বলেন, বন্যার পানি নামলেও বিদ্যালয় আঙিনায় নিচু জায়গায় পানি রয়েছে। আমরা ৮ জন শিক্ষক বিদ্যালয়ে পাঠদান করতে মুখিয়ে আছি। হয়তো আগামী সপ্তাহ থেকে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করতে পারবো।

৫৭ নং চরকাটারি ডাক্তারপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জিয়াউর রহমান বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় চরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থার মূলভিত্তি। এ বিদ্যালয়ে একশো ৫৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। বন্যার পরবর্তী পরিস্থিতির কারণে এখনো ক্লাস শুরু হয়নি। তবে দ্রুত বিদ্যালয় খোলার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

দৌলতপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, এ উপজেলায় একশটি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। বাঁচামারা, বাঘুটিয়া ও চরকাটারি এলাকায় বিদ্যালয়গুলোতে পানি নামলেও আঙিনায় কাদা রয়েছে। এরকম পরিস্থিতি এ চরাঞ্চলের ১৯টি বিদ্যালয়ে থাকায় ক্লাস শুরু হতে কিছুদিন সময় লাগতে পারে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তাপস কুমার অধিকারী বলেন, জেলায় মোট ৬৫২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। যমুনা নদীপাড়ের দৌলতপুর উপজেলার হাটাইল, টুটিয়াম, আহুলিয়া, বহড়া, গাজীছাইল, মীর কুটিয়া, নিলুয়া এবং হরিরামপুর উপজেলার আজিমনগর, সুতালড়িসহ চরাঞ্চলের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি উঠেছিলো। পানি চলে গেলেও উঠানে কাদা রয়েছে। এসব কারণে অন্তত ২৫টি প্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হচ্ছে না। বাকী প্রতিষ্ঠানগুলো খোলার সবধরণের প্রস্তুতি রয়েছে। হরিরামপুর উপজেলার সুতালড়ি ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পদ্মা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।